কাউন্টডাউনের সঙ্গে বরণ করে নেওয়া হয় ২০২৬ সালের প্রথম ক্ষণকে। পরিবার ও প্রিয়জনকে কাছে নিয়ে সবাই নতুন বছরের জন্য শুভ কামনা জানাতে থাকে।
ভৌগোলিক বৈচিত্র্যের কারণে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে হলেও, আতশবাজির রঙিন উৎসব আর নতুন শুরুর উদ্দীপনায় বিশ্বজুড়ে বরণ করে নেওয়া হয়েছে ২০২৬ সালকে। প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপপুঞ্জ থেকে শুরু করে এশিয়ার জনপদ সবখানেই ছিল উৎসবের আমেজ।
ঘড়িতে রাত ১২টা বাজতেই রঙিন হয়ে ওঠে ঢাকার আকাশ। পটকা ও আতশবাজির শব্দে একাকার হয় পুরো নগরী। ঢাকার বাসাবাড়ির ছাদে ছাদে ছোট–বড় সবাই মিলে নতুন বছরকে বরণ করে নিতে উল্লাসে মেতে ওঠেন।
২০২৫ সালের সূচনার সঙ্গে বিদায় নিয়েছে ২০২৪। নানা ঘটন–অঘটনে বেশ আলোচিত ছিল বছরটি। এ বছর দেশে দেশে যেমন নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারের পালাবদল হয়েছে, দুর্যোগ–বিপর্যয়ও কম হয়নি। বিশ্বজুড়ে নতুন করে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধবিগ্রহ।
দেশব্যাপী ইংরেজি নববর্ষ বা থার্টি ফার্স্ট নাইট উদ্যাপনে আতশবাজি ও পটকা ফোটানো থেকে বিরত থাকতে নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আরব টাইমস কুয়েত জানায়, ওই দুই দিন কুয়েত সরকারের সব মন্ত্রণালয়, প্রতিষ্ঠান, সংস্থা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে